শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ অবমাননার সাজা

এই পোস্ট নিয়মিত আপডেট করা হবে

দেশে ধর্ম অবমানার অজুহাতে অসংখ্য মানুষ গ্রেফতার হয়েছে। অনেকের সাজাও হয়েছে। তবে ধর্ম অভমানার সাথে সাথে শেখ মুজিব অবমাননা, শেখ হাসিনা অবমাননায় কয়েক শত মানুষ গ্রেফতার হয়েছে। তাদের অনেককে আমার সাজাও দিয়েছে। সামান্য স্ট্যাটাস, সামান্য বিদ্রুপের কারণে ৭ বছরের জেলও মানুষের হয়েছে। অথচ আমাদের রাজনৈতিক নেতারা একে অন্যকে রীতিমত গালাগালি করে চলেন যেমন- “আমি ঠিক জানি না, আপনি কি বললেন- উনি আওয়ামী লীঘে প্রেমিক খুঁকে পেয়েছেন। উনি আওয়ামী লীগে কি করে প্রেমিক খুঁকে পেলেন আমি ঠিক জানি না। তাহলে ফালুর কী হবে?”- শেখ হাসিনা

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে
৪ অক্টোবর, ২০১৫

“খালেদা জিয়ার মা লক্ষ্মীরাজনী মামরা দার্জিলিয়ের চা বাগানের মালিক ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ইহুদি মি. রবার্ট উইলসনের চাকরানী ছিলেন। চা বাগানের মালিকের ছিল মদ ও নারীর প্রতি আসক্তি। লক্ষ্মীরানী গর্ভবতী হলে উইলসনের দারোয়ান মুরালী মোহন মারমার সঙ্গে তার বিয়ে দেয়া হয়। উইলসনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৫ সালের ১৩ অগাস্ট খালেদা জিয়ার জন্ম হয়। “

সংসদে বাজেট বক্তৃতায় আওয়ামী লীগ অপু উকিল
২০ জুন ২০১৩

ফেসবুকে ব্যঙ্গ, অবমাননা ও কটূক্তির জন্য যদি সাধারণ লোকজনের সাজা হয়, তাহলে উপরের দুইজনের কয় বছরের সাজা হওয়ার কথা?

মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করলে যাবজ্জীবন

২২ আগস্ট ২০১৬

(সাজা দিতে সময় নিল ৪ বছর)

যেকোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে (বৈদ্যুতিন) মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আদালত কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত মীমাংসিত কোনো বিষয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচারণা বা প্রোপাগান্ডা চালালে বা অবমাননা করলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।

আজ সোমবার মন্ত্রিসভায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৬–এর খসড়ায় এ কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রিসভা আইনের খসড়া প্রাথমিক অনুমোদন দিয়ে সেটি আরও পর্যালোচনা ও পরীক্ষা করতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে দায়িত্ব দিয়েছে।

শেখ মুজিবের ছবিতে মন্তব্য করায় ৪ মাসের জেল: অঝোরে কাঁদলেন শিক্ষার্থী

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, আরটিভি

‘আমি কোনো ফেক আইডি থেকে পোস্ট করিনি। কেবল একটা মন্তব্য করেছি। কিন্তু আমাকে শিবির ট্যাগ দিয়ে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে চার মাস জেলে বন্দি করে রাখা হয়। আমাকে থানায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। কেউ সাহায্য করেনি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে আমার বাবা, তাকে অপমান করা হয়েছে। আমার চার বছর পড়াশোনা বন্ধ ছিল। আমি অসংখ্যবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছি।’ রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করে অঝোরে কাঁদলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ফয়েজ আহমেদ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের এডিট করা একটি ছবিতে শুধুমাত্র কমেন্ট করেছিলেন তিনি। এ কারণে তাকে চার মাস জেল খাটতে হয়েছে এবং তাকে দীর্ঘ চার বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।

বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি, কর্নেল রশিদের জামাতার ৭ বছরের কারাদণ্ড 
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২, দ্যা ডেইলি স্টার

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি কর্নেল রশিদের মেয়ে শেহনাজ রশিদ খানের স্বামী মো. ফুয়াদ জামানকে (৪৩) ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে ফুয়াদ ফেসবুকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড নিয়ে কটূক্তি করেন। সেই সঙ্গে আদালতের রায়ে প্রমাণিত হত্যাকারীদের প্রকাশ্যে সমর্থন জানান।

প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর মামলায় যুবকের ১০ বছরের কারাদণ্ড
২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ঢাকা টাইমস

নারায়ণগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুরের মামলায় সোহাগ আলী নামে এক যুবককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন এ রায় দেন। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ফজলুর রহমান ঢাকাটাইমসকে জানান, ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পরিকল্পিতভাবে উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিস থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নিয়ে যান সোহাগ আলী। পরে ইউএনও কার্যালয়ের সামনে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ছবিটি রেখে ভাঙচুর করেন ও দুমড়ে-মুচড়ে ফেলেন তিনি। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে তাকে ধরে মারধর করে। এরপর ইউএনওর নির্দেশে সোহাগকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় সোনারগাঁও থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন উপজেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর আশরাফুল ইসলাম।

বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার দায়ে প্রধান শিক্ষকের ১ বছরের কারাদণ্ড

৮ আগস্ট ২০২২, সময় টিভি

বরিশালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে তাকে অবমাননার মামলায় শফিকুল ইসলাম নামে এক প্রধান শিক্ষককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি: জাবি শিক্ষার্থীর ৭ বছর কারাদণ্ড

০৬ জুন ২০২২, বাংলা ট্রিবিউন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী শামসুল আলম বাবুর ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (৬ জুন) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের আদেশে বিচারক বলেন, আসামির বয়স মাত্র ২৩ বছর। স্বল্প বয়স বিবেচনায় তাকে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ (সংশোধিত/২০১৩)-এর ৫৭ ধারায় ন্যূনতম ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু অবমাননা: দুই শিক্ষককে বঙ্গবন্ধুর লেখা বই পড়তে আদালতের নির্দেশ
২২.০২.২০২২

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে কেকের পরিবর্তে পাউরুটি কেটে ব্যঙ্গ করায় ‘অবমাননার’ অভিযোগে রাজশাহীর দুই মাদ্রাসা শিক্ষককে কারাদণ্ডের বদলে শাস্তি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি বই পড়ার আদেশ দিয়েছে আদালত।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এ মামলায় তাঁদের প্রবেশন মঞ্জুর করে মঙ্গলবার রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান আলোচিত এই রায় দেন বলে বেনারকে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসমত আরা। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার ১১ আসামির মধ্যে নয়জনকে খালাস দিয়েছে আদালত। দণ্ডিত দুজন হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বৈরতলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোহা. আব্দুস সালাম এবং একই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক গোলাম কবির।

আওয়ামী’ শব্দের অর্থ বিকৃত করে ফেসবুকে পোস্ট, তরুণের ১০ বছরের কারাদণ্ড

২৪ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো

আওয়ামী লীগের ‘আওয়ামী’ শব্দের অর্থ বিকৃত করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে আবদুল মুকিত ওরফে রাজুকে (তখন ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন) ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর একটি আদালত। এক আওয়ামী লীগ নেতার করা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার এই মামলার রায়ে একই সঙ্গে ওই যুবককে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী শব্দটি আইয়াম শব্দ থেকে এসেছে। যার অর্থ অন্ধকার, কুসংস্কার আর লীগ অর্থ দল। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ মানে অন্ধকারের দল।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য প্রচারের দায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড
জানুয়ারি ২০, ২০২২

(সাজা দিতে সময় নেয় ৫ বছর)

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য প্রচারের দায়ে রাশেদ তালুকদার (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আশ সামস জগলুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে বিচারক বলেন, রাশেদ এর মধ্যে যে সময়টুকু জেল হেফাজতে ছিলেন তা তার কারাদণ্ডের সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।

২০১৬ সালের ২৩ জুন রাশেদ তালুকদার তার ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রচার করেছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। রাশেদ টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতীর বাসিন্দা।

ঘটনার পর রাশেদকে গ্রামের বাড়ি থেকে আটক করে তার বিরুদ্ধে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা করেন কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক মানিক চন্দ্র দে।

শেখ হাসিনার ছবি বিকৃত করায় বিএনপি নেতার ৭ বছর জেল
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তি করার অপরাধে আকতার হোসেন (৪৫) নামে সিংড়ার এক বিএনপি নেতাকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক জিয়াউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০৬ সালের ৫৭ ধারায় আসামি আকতার দোষী সাবস্ত হলে সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জিয়াউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাস সাজাভোগের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামী কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন বলে জানিয়েছেন রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসমতারা।

বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা, তারেক রহমানের ২ বছরের কারাদণ্ড
২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তির জেরে দায়ের করা মানহানির মামলায় বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ রায় দেন নড়াইলের একটি আদালত। একই মামলায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন বিচারক। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নড়াইল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট-২ এর বিচারক আমাতুল মোর্শেদা এই রায় দেন।

‘বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা’র দায়ে ১৩ শিক্ষক কারাগারে
২৩ অগাস্ট ২০১৭, বিবিসি

বাংলাদেশের চট্টগ্রামের নবম শ্রেণীর এক প্রশ্নপত্রে শেখ মুজিবকে অবমাননা করার এক মামলায় এলাকার ১৩ জন শিক্ষককে আদালত জেল হাজতে পাঠিয়ে দিয়েছে। ২০১৬ সালে দক্ষিণ চট্টগ্রামের মাধ্যমিক স্কুলের হাফ-ইয়ারলি পরীক্ষার জন্য তৈরি একটি প্রশ্নপত্রে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবকে স্থানীয় একজন বিএনপি নেতার সাথে তুলনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সাথে সাথেই মূল প্রশ্নকর্তা গোকুল বড়ুয়া, যিনি স্থানীয় বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক, এবং প্রশ্ন তৈরি কমিটির ১২ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। অবশ্য পরে তারা জামিন পেয়েছিলেন।

পরে চট্টগ্রামের একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি ঐ ১৩ জন শিক্ষককে অভিযুক্ত করেন। চট্টগ্রামের বাঁশখালি থানার ওসি আলমগির হোসেন বিবিসিকে জানিয়েছেন, ঐ তদন্ত রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে পুলিশ ঐ ১৩ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা দায়ের করে।

শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি আঁকাকে কেন্দ্র করে ইউএনও গ্রেফতার ও হেনস্তা।
২১ জুলাই ২০১৭, বাংলা ট্রিবিউন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃত করার অভিযোগে ৫ কোটি টাকার মানহানির মামলায় বরগুনা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারিক সালমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বরিশালের একটি আদালত। গাজী তারিক সালমন বর্তমানে বরগুনা সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এঁকে আবারও পুরস্কার জিতে নিয়েছে বরিশালের আগৈলঝাড়ার ৫ম শ্রেণির ছাত্রী অদ্রিজা কর অদ্রি (১১)। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় জাতির জনকের ছবি এঁকে এবার প্রথম পুরস্কার পেয়েছে সে। এর আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে তাঁর ছবি এঁকে সে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছিল। সেই ছবি দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের কার্ড তৈরি করে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়েছিলেন আগৈলঝাড়ার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী তারিক সালমন। 

সাইবার ট্রাইব্যুনালে প্রথম সাজা
বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করায় ৭ বছর কারাদণ্ড

(সাজা দিতে সময় নেয় মাত্র ১ বছর)

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যঙ্গ করে গান তৈরি করার দায়ে তন্ময় মল্লিক নামের এক যুবককে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। গতকাল বুধবার সাইবার অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম সামসুল ইসলাম এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তন্ময় মল্লিকের বাড়ি খুলনার দাকোপ উপজেলার গুরকাঠি গ্রামে। সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠনের আট মাসের মাথায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় প্রথম কোনো আসামির দণ্ডাদেশ হলো।

গতকাল রায় ঘোষণার আগে আদালতে আসামি তন্ময় মল্লিককে হাজির করা হয়। রায়ে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান রচনা করে আসামি তন্ময় মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে তা প্রচার ও প্রকাশ করেন, যা তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে অপরাধ। আসামির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষÿ১০ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। রাষ্ট্রপক্ষÿআসামির বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হওয়ায় তন্ময়কে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলো। আদালত আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান রচনা করার ঘটনায় খুলনার দাকোপ থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক জয়নাল আবেদিন গত বছরের ২৬ অক্টোবর মামলাটি করেন। চলতি বছরের ১৯ মে ট্রাইব্যুনাল এ মামলায় অভিযোগ গঠন করেন।

Leave a comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.